ঢাকা    শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
নেত্রবার্তা

ঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়



ঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়

ইসলামে দুটি ধর্মীয় উৎসব। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ১০ জিলহজ দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের রাতটি অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতময়। অনেকেই এ রাতটি হেলায়-ফেলায় কাটিয়ে দেন। ফকিহরা দুই ঈদের রাতে জাগ্রত থাকাকে সুন্নত লিখেছেন। তাই এ রাতের বিশেষ কদর করা উচিত। এ রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম।

ঈদুল আজহার রাতে ইবাদতের মাধ্যমে জান্নাত আবশ্যক হয়। হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। এক. জিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত, দুই. জিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফাত দিবসের রাত), তিন. ঈদুল আজহার রাত, চার. ঈদুল ফিতরের রাত এবং পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি: ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুনত্যাগ ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে এলো ঈদুল আজহা

ঈদের রাতের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৭৯২৭)। 

ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কেয়ামতের দিন মরবে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৮২)। 

বিষয় : ঈদুল আজহা আমল

নেত্রবার্তা

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬


ঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

ইসলামে দুটি ধর্মীয় উৎসব। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) ১০ জিলহজ দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের রাতটি অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতময়। অনেকেই এ রাতটি হেলায়-ফেলায় কাটিয়ে দেন। ফকিহরা দুই ঈদের রাতে জাগ্রত থাকাকে সুন্নত লিখেছেন। তাই এ রাতের বিশেষ কদর করা উচিত। এ রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত অপরিসীম।

ঈদুল আজহার রাতে ইবাদতের মাধ্যমে জান্নাত আবশ্যক হয়। হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। এক. জিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত, দুই. জিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফাত দিবসের রাত), তিন. ঈদুল আজহার রাত, চার. ঈদুল ফিতরের রাত এবং পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত। (আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি: ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুনত্যাগ ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে এলো ঈদুল আজহা

ঈদের রাতের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এ পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৭৯২৭)। 

ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর কেয়ামতের দিন মরবে না। হজরত আবু উমামা বাহেলি (রা.) বর্ণনা করেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব পাওয়ার নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৭৮২)। 


নেত্রবার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক : আর্কটুরাস
কপিরাইট © ২০২৬ নেত্রবার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত